1. multicare.net@gmail.com : নিউজ জনতার সময় :
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শেখ হাসিনার উপহার পেলেন ১৮ হাজার গৃহহীন পরিবার।। ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রতারণা থেকে বাছতে চায় সাগর।। উপজেলা নির্বাচন চরফ্যাসনে চেয়ারম্যানসহ তিন প্রার্থীর নিরংকুশ বিজয়।। চরফ্যাশনে শালিসি করে দিবে বলে ঢেকে নিয়ে স্ত্রী কে দিয়ে লাঞ্চিত করার অভিযোগ।। ভোলার চরফ্যাশনে সৌদিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ‘অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ’ ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের নামে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।। চরফ্যাশনে রিকশা চালককে মারধর করে ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নিলেন ইউপি সদস্য চরফ্যাশনে চরমানিকায় জেলে চাল বিতরণ অনিয়ম।। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ভোলার চরফ্যাশনে মেঘনা নদীর ঢালের মাটি কাটায় অর্থদন্ড।।

চরফ্যাশনে যৌতুকলোভী পাষণ্ড স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধু ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ইয়াসমিন বেগম।।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ভোলা থেকে।। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানাধীন আবুবকরপুর ইউনিয়নের দিনমজুর আমির হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মোসাঃইয়াসমিন (২৬) কে দুলারহাট থানাধীন নুরাবাদ ইউনিয়নের মোঃশফিজল ইসলামের ছেলে মোঃমাইনুদ্দিন(৪০) এর সাথে ইসলামিক শরাশরিয়ত মোতাবেক রেজিঃকাবিনে উল্লেখ ২০ ই সেপ্টেম্বর ২০১৩ ইং তারিখে ৩,৫০,০০০/ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য্যে করিয়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।বিয়ের পর থেকেই শুরু যৌতুক নেওয়া ও চাওয়া। ইয়াসমিন বেগম জানান আমার দিনমজুর বাবা আমার স্বামী মোঃমাইনুদ্দিনকে উপহার হিসেবে ১,৫০,০০০/ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ১ টি মটর সাইকেল ১ টি স্বর্নের চেইন, হাতের আংটি, সার্ট প্যান্ট সহ ৪০ হাজার টাকা খরচ করে আমাকে আমার স্বামীর বাড়ীতে উঠিয়ে দেন।আমি কিছুদিন ভালোই সংসার কাটিয়েছি এরপর একটি কম্পিউটার খরিদ করার জন্য আমার পিতার নিকট হাওলাত ১ লক্ষ টাকা আনিয়া দেই এরপরও লোভের পরি সমাপ্তি নেই।কিছুদিন পুর্ব হইতে আমার স্বামী, শশুর, ভাসুর ও শাশুড়ী ননদ আমাকে আরও টাকা আনার চাপ সৃষ্টি করলে আমি বলি আমার পিতার বাড়ীর থেকে আর কোন টাকা পয়সা এনে দিতে পারবোনা তারপর বিগত ০৪/০৬/২০১৬ ইং রোজ শনিবার বিকাল ৪.৩০ মিনিটে আমাকে চুলে মুঠি ধরে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাথি মারিয়া শরীরে ভিবিন্ন স্থানে ফুলা জখম করে আমাকে বাড়ীর উঠানে ফালাইয়া দেয় তারপর আমার ভাসুর মোঃনিরব আমাকে মুখে থাপ্পড় মারে।আমার শাশুড়ী আমেনা বেগম আমার গলার স্বর্নের চেইন খুলে নিয়ে যায়।আমার স্বামী আমাকে বেধড়ক মারধর করে এই অবস্থা দেখে পার্শ্ববর্তী লোকজন আমার বাবার বাড়ীতে সংবাদ দিলে আমার বাবা আমার শশুর বাড়ীতে এসে আমাকে দ্রুত স্থানীয় শিবা চৌমুহনী বাজারে পল্লী চিকিৎসক দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে বাবার বাড়ীতে নিয়ে যায়।তারপর আমার অবস্থা খারাপ দেখে আমাকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ০৯/০৬/২০১৬ ইং চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। যাহার ভর্তি রেজিষ্ট্রেশন নং ৫৪৬৯/২২ আমি চরফ্যাশন উপজেলা সাস্হ কমপ্লেক্সে ৯ তারিখ থেকে ১৩/০৬/২০১৬ তারিখ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলাম।এর ধারাবাহিক গত ২৫ সে ডিসেম্বর২০২৩ ইং তারিখে রাত ৮ টার সময় আমার শশুর বাড়ীতে আমার ননদ বেড়াইতে আসে তারপর কথার কাটাকাটিতে আমার ননদ আমাকে ঘরের ভিতরে আমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে আমাকে একা পেয়ে আমার ছোট দুইটি বাচ্চার সামনে চুলে মুঠি ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে তারপর আমি মারধর থেকে বাঁচতে দৌড়ে অন্য ঘরের ভিতর ঢুকতে গেলে সেখান থেকে টেনেহেছরে উঠানে এনে ফালাইয়া আমাকে বেধড়ক মারধর করেন আশপাশের লোকজন এসে আমাকে গুরুতর আহত অবস্থায় চরফ্যাশন উপজেলা সাস্হ কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর আমার বাবার বাড়ী থেকে বাবা ও ভাই নূরউদ্দিন এসে আমাকে চিকিৎসা শেষে ২ দিন পর আমার বাবার বাড়ীতে নিয়ে আসেন। আমার বাবা ও আত্নীয় স্বজন আমার দুই বাচ্চা ও আমি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা দেখে আমার বাবা ও ভাইয়েরা স্হানীয় আবুবকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সফি হাওলাদার ও প্রভাষক শামীম কে বিষয়টি জানাইলে তাড়া আমার স্বামী মোঃমাইনুদ্দিন কে খবর দেন তারপর আমার স্বামী আমার অটোরিকশা পাঠিয়ে আমাকে নিয়ে যায়। এরপরও তারা নির্যাতনের মাত্রা থেমেনি আমি যাওয়ার পর রাতে কোন রকম আমার স্বামীর বাড়ীতে থাকলেও সকালে আমার দুটি বাচ্চা রেখে আমাকে পুনরায় আমার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয় এরপর আমি স্হানীয় শালিসগনকে জানালে তারা আমাকে আইনি পরামর্শ দিয়েছেন।আমি আজ একজন অসহায় নারী আমার গর্ভে একটি ছেলে হয় যার বয়স ৪ বছর আরোও একটি মেয়ে যার বয়স ১৫ মাস এখন আমি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা দেখুন দোষ কি ছিলো আমার ঐ সংসারে কেন এতো নির্যাতন আমি এদের বিচার দাবি করছি যাতে আমার মত কোন নারী এরকম যৌতুক লোভী মানুষের হাতে না পড়ে। এবিষয়ে মোঃমাইনুদ্দিন জানান আমার সাথে বিয়ের পর থেকেই গেনজাম লেগেই আছে, মারধরের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বোনের সাথে কথার কাটাকাটি হয়েছে কিন্তু কি হয়েছে তা আমি জানিনা তবে আমার স্ত্রী যেখানে থেকে সংসার করতে চায় সেখানেই আমি রাজি আছি। আবুবকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সফি হাওলাদার বলেন ভাই ছেলে পক্ষ খুবই খারাপ আমি আবদুল্লাহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল এমরান প্রিন্স সহকারে কয়েক বার মিমাংসার চেষ্টা করেছি ছেলে পক্ষ কোন কিছুই তোয়াক্কা করেনা এটা যদি পারেন তাহলে ইয়াসমিন বেগমের উপকার করেন।দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন এবিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইন গত ব্যাবস্হা নেব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews